An educational blog that provides Current Affairs in Bengali pdf, Bengali Gk, Current GK MCQ, and all study materials for Competitive Examination for Government Jobs in West Bengal, India.

Apr 19, 2019

Highest-Largest-Longest in India full list

Highest-Largest-Longest in India full list

Highest-Largest-Longest in India

Questions related to Highest things in India, Largest things in India and Longest things in India asked in all major Government job exams like SSC CGL, SSC CHSL, WBCS, WBPSC, WBSSC, Railway Group-D, Railway NTPC etc. For example it can be asked that
 What is the higest civilian honour in India ? Ans:- (a) Paramveer Chakra (b) Bharat Ratna (c) Rajiv Gandhi Khel Ratna (d) None of this.

Highest-Largest-Longest in India full list
Highest-Largest-Longest in India full list



So Knowledge Account is providing you the full list of Highest-Largest-Longest in India full list in Bengali.




ভারতের দীর্ঘতম,উচ্চতম,বৃহত্তম

সর্বোচ্চ সম্মান: ভারতরত্ন
সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান: পরম বীর চক্র
সবচেয়ে জনবহুল শহর: মুম্বাই
বৃহত্তম রাজ্য: রাজস্থান
দীর্ঘতম নদী: গঙ্গা
শাখা নদী-সহ দীর্ঘতম নদী: যমুনা
বৃহত্তম হ্রদ: কাশ্মীরের উলার হ্রদ
বৃহত্তম লবণাক্ত জলের হ্রদ: গোবিন্দ বল্লভ পন্থ সাগর (বিহান বাঁধ)
পৃথিবীর সব থেকে সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত হ্রদ: দেবতাল হ্রদ, গাড়োয়াল, উত্তরাখন্ড
দীর্ঘতম ক্যান্টিলিভার সেতু: হাওড়া ব্রিজ
উচ্চতম শৃঙ্গ: কারাকোরাম বা কে-2(8,611 মি)
সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত: মৌসিনরাম
উচ্চতম জলপ্রপাত: কুঞ্চিকল  জলপ্রপাত
বৃহত্তম -দ্বীপ অঞ্চল: সুন্দরবন
বদ্বীপহীন দীর্ঘতম নদী: নর্মদা তাপ্তী
দীর্ঘতম নদী-সেতু: মহাত্মা গান্ধী সেতু, পাটনা
দীর্ঘতম সড়ক: গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড
উচ্চতম সড়ক: খরদুংলা রাস্তা (লেহ-মানালি অঞ্চলে)
বৃহত্তম মসজিদ: দিল্লী জামা মসজিদ
উচ্চতম প্রবেশ পথ: ফতেপুর সিক্রি বুলান্দ দরওয়াজা (53, 6 মি)
দীর্ঘতম প্রস্তরমূর্তি: গোমতেশ্বর, কর্ণাটক (17 মি)
বৃহত্তম সরকারি ব্যাংক: স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া
দীর্ঘতম খাল: ইন্দিরা গান্ধী বা রাজস্থান
বৃহত্তম গম্বুজ: গোল গম্বুজ, বিজাপুর
বৃহত্তম চিড়িয়াখানা: আলিপুর চিড়িয়াখানা, কলকাতা
বৃহত্তম মিউজিয়াম: ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম, কলকাতা
দীর্ঘতম বাঁধ: হিরাকুঁদ, ওড়িশা
উচ্চতম বাঁধ: ভাকরা বাঁধ (225. 5 মি)
উচ্চতম স্তম্ভ: কুতুব মিনার, দিল্লি (88.4 মি)
বৃহত্তম মরুভূমি: থর, রাজস্থান
বৃহত্তম জেলা: কচ্ছ
দীর্ঘতম উপকূল রেখা (রাজ্য): গুজরাট
দক্ষিণ ভারতের দীর্ঘতম উপকূল রেখা: অন্ধপ্রদেশ
দীর্ঘতম রেলওয়ে রুট: জম্মু-কন্যাকুমারী
দীর্ঘতম প্ল্যাটফর্ম: গোরক্ষপুর 
দীর্ঘতম টানেল: জওহর টানেল (জম্মু কাশ্মীর)
দীর্ঘতম হাইওয়ে: এন এইচ-7, বারাণসী থেকে কন্যাকুমারী
সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ রাজ্য: পশ্চিমবঙ্গ
বৃহত্তম গুহা: অমরনাথ, জম্মু-কাশ্মীর
বৃহত্তম গুহা মন্দির: কৈলাস, ইলোরা, মহারাষ্ট্র
বৃহত্তম পশু মেলা: সোনপুর, বিহার
বৃহত্তম হোটেল: ওয়েবয়-শেরাটন, মুম্বাই
বৃহত্তম গুরুদ্বার: গোল্ডেন টেম্পল, অমৃতসর
বৃহত্তম গির্জা: সেন্ড ক্যাথিড্রাল, গোয়া
প্রাচীনতম গির্জা: সেন্ড টমাস চার্জ, ত্রিশূর, কেরালা
দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত: মেরিনা সমুদ্রসৈকত, চেন্নাই
উচ্চতম যুদ্ধক্ষেত্র: সিয়াচেন হিমবাহ
উচ্চতম বিমানবন্দর: লেহ, লাদাখ
বৃহত্তম স্টেডিয়াম: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন, কলকাতা
বৃহত্তম নদী-দ্বীপ: মাজুলী, ব্রহ্মপুত্র নদী, অসম
বৃহত্তম প্লানেটরিয়াম: বিড়লা প্লানেটরিয়াম, কলকাতা


ভারত সম্পর্কে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :


ভারতের জাতীয় প্রতীক

ভারতের জাতীয় প্রতীক সারনাথের সিংহ চিহ্নিত অশোক স্তম্ভ থেকে নেওয়া হয়েছে আসল অশোক স্তম্ভ টি সারনাথ মিউজিয়ামে রাখা আছে 1950 সালের 26 জানুয়ারি ভারত প্রজাতন্ত্র হিসাবে ঘোষিত হওয়ার সময় সরকারিভাবে এই প্রতীক নিয়ে হয় সারনাথ এর মূল অশোক স্তম্ভে চারটি সিংহ পিঠে পিঠ দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে নিজের আধার টিতে হাতি, ছুটন্ত ঘোড়া, ষাঁড় সিংহের রিলিফ রয়েছে তবে এই চারটি প্রাণীর রিলিফ কে পৃথক করতে তাদের মাঝে পদ্মের উপর চক্র রয়েছেএকটি গোটা বেলে পাথর খোদাই করে তৈরি ওই অশোক স্তম্ভের শীর্ষে রয়েছে ধর্মচক্র

সরকার যে প্রতীকটি গ্রহণ করেছে, তাতে 4 এর বদলে তিনটি সিংহ দৃশ্যমান চতুর্থ সিংহটি দেখা যায় না নিচে কেন্দ্রস্থলে ধর্মচক্র তার দুপাশে ষাঁড় ঘোড়ার রিলিফ, এছাড়া দুই ধারে অন্য চক্রগুলির আভাসমাত্র দেখা যায় ঘন্টাকৃতির পদ্ম এখানে বাদ পড়েছে একেবারে নিচে মান্ডুক্য উপনিষদ থেকে 'সত্যমেব জয়তে'কথাটি দেবনাগরী লিপিতে উৎকীর্ণ

ভারতের জাতীয় পতাকা

ত্রিবর্ণ জাতীয় পতাকায় গেরুয়া, সাদা সবুজ রং সমান্তরালভাবে ক্রমানুসারে উপর থেকে নিচে সমান আয়তনে ব্যবহৃত পতাকার আকার এর ক্ষেত্রে এর চওড়া লম্বা তিন ভাগের দুই ভাগ হতে হবে পতাকার কেন্দ্রে সাদার মধ্যে ঘন নীল রঙের অশোক চক্র রয়েছে নিয়মানুযায়ী চক্রের ব্যাস সাদা রঙের অংশের সমান হতে হবে এবং ওই চক্রের 24 টি স্পোক থাকবে পতাকার গেরুয়া ত্যাগ সাহসের, সাদা সত্য শান্তির এবং সবুজ বিশ্বাস প্রাচুর্যের প্রতীক

জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশাটি 1947 সালের 22 জুলাই গণপরিষদ (constituent assembly) এর সভায় অনুমোদিত হয়পতাকা ব্যবহারের নিয়ম কানুন সরকারি বিধি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত 1950 সালের 'প্রতীক নাম (অনুচিত ব্যবহার প্রতিরোধ) আইন'এবং 1971 সালের 'জাতীয় সম্মান অবমাননা প্রতিরোধ আইন'অনুযায়ী জাতীয় পতাকার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা হয় 2002 সালের 26 জানুয়ারি থেকে নতুন 'ভারতের পতাকা বিধি'অনুযায়ী 1950 1971 সালের আইনের আওতায় সাধারণ মানুষ, বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদিতে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের উপর বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয় নিয়ম অনুযায়ী একমাত্র খাদির কাপড় দিয়ে পতাকা বানানো যায়

ভারতের জাতীয় সংগীত

1950 সালের 24 জানুয়ারি সাংবিধানিক সভায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনগণমন গানটি জাতীয় সংগীত হিসাবে গ্রহণ করার প্রস্তাব অনুমোদিত হয় 1911 সালের 27 ডিসেম্বর কলকাতায় ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের কলকাতা অধিবেশনে গানটি প্রথম গাওয়া হয় 5 স্তবকের গানটির প্রথম স্তবক কি জাতীয় সংগীত হিসাবে নির্দিষ্

পুরো জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় প্রায় 52 সেকেন্ড ক্ষেত্রবিশেষে 20 সেকেন্ড সময়ের মধ্যে জাতীয় সংগীতের একটি সংক্ষিপ্ত রূপও গাওয়া হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'বন্দে মাতরম' গানটিও জাতীয় সংগীত এর সমান মর্যাদা পায় 1896 সালে কংগ্রেসের বার্ষিক অধিবেশনে এই সংস্কৃত গানটি গাওয়া হয়

বন্দে মাতরম্
সুজলাং সুফলাং মলয়জশীতলাং
শস্যশ্যামলাং মাতরম্
শুভ্রজ্যোৎস্না পুলকিতযামিনীম্
ফুল্লকুসুমিত দ্রুমদল শোভিনীম্
সুহাসিনীং সুমধুর ভাষিণীম্
সুখদাং বরদাং মাতরম্

ভারতের জাতীয় দিনপঞ্জিকা

স্বাধীনতার সময় তদানীন্তন সরকার গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী খ্রিস্টাব্দের হিসাব অনুসরণ করতো জাতীয় সরকার ক্ষমতায় আসার পরে জাতীয় দিনপঞ্জিকা নিরূপণ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী শতাব্দের ভিত্তিতে জাতীয় দিনপঞ্জিকা নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত হয় শতাব্দ অনুযায়ী বছরে 365 দিন এবং চৈত্র মাস থেকে বছরের শুরু

সুবিধা হল, শতাব্দীর সঙ্গে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের হিসাবের সম্পর্কে কোনো জটিলতা নেই প্রতিবছরই মার্চের 22 তারিখ থেকে চরিত্র শুরু হয়, একমাত্র লিপ ইয়ারে মার্চের 21 তারিখে তা শুরু হয় 1957 সালের 22 মার্চ তারিখকে শকাব্দ অনুযায়ী হিসাব করলে টা 1879 শকাব্দের 1 চৈত্র হবে ঐদিন থেকে জাতীয় দিনপঞ্জিকা চালু হয় ভারতের গেজেট, অল ইন্ডিয়া রেডিওর অনুষ্ঠান,ভারত সরকারের ক্যালেন্ডার জনসাধারণের উদ্দেশে ভারত সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তির কাজে জাতীয় দিনপঞ্জিকা গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার পাশাপাশি ব্যবহার করা হয়



তোমরা সাপ্তাহিক কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও পড়তে পারো।


গুরুত্বপূর্ণ কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স এর MCQ প্রশ্নোত্তর 

আরও কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স প্রাকটিস  করুন - শেষ এক বছরের কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স 

এছাড়াও তোমরা পড়তে পারো -

বিভিন্ন নদী ও তার তীরবর্তী শহরগুলির তালিকা 
ভারতীয় রেলওয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য 
ভারতের কেন্দ্রীয় এবং বিভিন্ন রাজ্য সরকারের বিভিন্ন যোজনা, পরিকল্পনা ও অভিযান 
পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য ( প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য )
২০১৮ এর নোবেল পুরস্কার বিজয়ী  তালিকা
৬৪  ফিল্মফেয়ার পুরস্কার বিজেতাদের তালিকা
ভারতীয় রেলের নতুন জোন সহ সবকটি জোনের তালিকা ও সদর দপ্তর
বিভিন্ন দেশের রাজধানী ও মুদ্রা - সম্পূর্ণ তালিকা 
ভারতের গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর গুলির তালিকা 
ভারতের গুরুত্বপূর্ণ স্টেডিয়াম গুলির তালিকা 

5 comments:

  1. Replies
    1. Thanks for the comment.please share it to our Knowledge Account community.Best of luck for your next exam !

      Delete
  2. এখানে ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাত গেরসোপ্পা দেওয়া, কিন্তু বর্তমানে ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাত এর নাম হলো কুঞ্চিকল

    ReplyDelete
  3. এখানে ভারতের দীর্ঘতম প্লাটফর্ম খড়গপুর দেওয়া, বর্তমানে ভারতের দীর্ঘতম প্লাটফর্ম গোরক্ষপুর প্ল্যাটফর্ম, যেটা উত্তরপ্রদেশে অবস্থিত

    ReplyDelete
  4. Valo. Data gulo correction kore post korun.

    ReplyDelete